দুই দিনে ২৯ জনের মৃত্যু, গাজায় অনাহারে মারা যাচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা
হযরত খানজাহান আলী (রঃ) ও তাঁর মাজার এবং ঐতিহাসিক বাগেরহাট পর্ব ২
খান জাহান আলী (১৩৬৯ – ২৫ অক্টোবর ১৪৫৯) ছিলেন একজন মুসলিম ধর্ম প্রচারক এবং বাংলাদেশের বাগেরহাটের স্থানীয় শাসক। তার অন্যান্য নামের মধ্যে রয়েছে উলুঘ খান, খান-ই-আজম ইত্যাদি।
সিংগাইর মসজিদ:

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক সিঙ্গাইর মসজিদ
ষাটগম্বুজ মসজিদের দক্ষিণ-পূর্ব কোনে মধ্যযুগীয় এই মসজিদটি অবস্থিত। এটি একগম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ। মসজিদের (বাইরের দিকের ১১.৮৮ মিঃ ঢ ১১.৮৮মিঃ) পলেস্টার বিহীন দেয়ালগুলো গড়ে ২.১০মিঃ পুরর্ত। প্রত্যেক কোনে বাইরের দিকে গোলাকারে বর্ধিত একটি করে সংলগন বুরুজ রয়েছে। পূর্ব দেয়ালে খিলান দরজার সংখ্যা ৩টি। উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালের প্রতিটিতে খিলান দরজার সংখ্যা ১টি। পূর্ব দেয়ালের মাঝের খিলানটির আকার অন্যগুলোর চেয়ে বড়। ভিতরে পশ্চিম দেয়ালের মাঝামাঝি অংশে দুপাশে দুটি কুলঙ্গীসহ একটি অবতল মিহরাব আছে। অনুরূপ কুলঙ্গী উত্তর ও দক্ষিণের দরজাগুলোর দুপাশেও আছে। অন্যান্য সাধারণ বৈশিষ্ট্য ষাটগম্বুজ মসজিদের অনুরূপ। কেবলমাত্র চার কোনের চারটি সংলগন গোলাকার বরুজ মসজিদের কার্ণিস পর্যন্ত উঠানো।
নয়গম্বুজ মসজিদ:

নয় গম্বুজ মসজিদ
ঠাকুর দিঘী বা খাঞ্জেলী দিঘীরপশ্চিম পাড়ে ১৬.৪৫ মিঃX১৬.১৫মিঃ ভূমি পরিকল্পনায় নির্মিত নয়গম্বুজ মসজিদটি অবসিহত। এর দেয়ালগুলো ২.৫৯মিঃ পুরু। মসজিদ অভ্যন্তরে দুসারি পাথরের থাম দিয়ে মোট নয়টি চৌকো খন্ডে বিভক্ত । প্রতিটি খন্ডের উপর মসজিদের ছাদের নয় গম্বুজ নির্মিত। পশ্চিমের কিবলা দেয়ালে নির্দিষ্ট দুরত্ব পর পর একটি করে মোট তিনটি অবতল মিহরাব আছে। এগুলোর টিম্প্যানাম ও স্প্যানাড্রল অংশে পোড়ামাটির কারুকাজ লক্ষ করা যায়।
সাবেকডাঙ্গা পূরাকীর্তি:

সাবেকডাঙ্গা পূরাকীর্তি
ষাটগম্বুজ মসজিদ থেকে প্রায় ৬কিঃমিঃ উত্তরে এই পূরাকীর্তিটি অবসিহত। দণমূখী এই পূরাকীর্তিটি আয়তাকার ভূমি পরিকল্পনায় নির্মিত (৭.৮৮ মিঃX৫.১০মিঃ)। এটি একটি প্রার্থনা কক্ষ। এর ইটের দেয়াল ১.৪৭ মিঃ পুরু। পুরাকীর্তির কার্ণিশ ধনুকের ন্যায় বক্র এবং ভিতরের দেয়াল পোড়ামাটির ফুল-লতা-পাতার অপূর্ব কারম্নকাজে ভরপুর। সহাপত্য কৌশলে মনে হয় এটি খানজাহান সময়ের পরবর্তীকালে নির্মিত।
জিন্দাপীর মসজিদ:

জিন্দাপীর মসজিদ
জিন্দাপীর মাজার কমপেস্নক্সের উত্তর-পশ্চিম কোনে মধ্যযুগীয় এই মসজিদটি অবসিহত। মসজিদটি বর্গাকার ভূমি পরিকল্পনায় (৬মিঃX৬মিঃ) নির্মিত এটি একগম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। এই মসজিদের চারপাশের চারটি গোলাকার বুরম্নজ রয়েছে।মসজিদের দেয়ালগুলো গড়ে ১.৫২মিঃ পুরম্ন। পূর্ব বাহুতে ৩টি, উত্তর ও দক্ষিণ বাহুতে একটি করে খিলান দরজা আছে। সামনের বাহুতে আছে তিনটি মিহরাব। ছাদের অর্ধগোলাকার গম্বুজটি ভাঙ্গা অবসহায় ছিল। ২০০২ সালে এটিকে প্রতনতাত্তিক সংস্কারের মাধ্যমে পূর্ন অবয়ব প্রদান করা হয়েছে।
সুত্র: বাগেরহাট গভ।
